লেগ স্পিনার ও ‘মিস্ট্রি’ স্পিনার সংকটের গভীরে # হীরা

লেগ স্পিনার ও ‘মিস্ট্রি’ স্পিনার সংকটের গভীরে

# হীরা #

দেশের ক্রিকেটে লেগ বা রিস্ট স্পিনার ও মিস্ট্রি স্পিনার নিয়ে হাহাকার সবসময়ই লেগে আছে। অচিরেই এই সমস্যার কোন সমাধানও হচ্ছেনা- এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়।
একেবারেই যে রিস্ট স্পিনার ও মিস্ট্রি স্পিনার উঠে আসছেনা ব্যাপারটা তা নয়। কিন্তু যারা উঠে আসছেন তারা কেউই সেই অর্থে ‘ভাল মানের’ বোলার নন। ফলস্বরূপ ঘরোয়া, ফ্র্যাঞ্চাইজি অথবা আন্তর্জাতিক কোথাও তাদের দলে জায়গা মেলে না। সেটা মেলার কথাও নয়। একজন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়ে পারফর্ম না করলে বাদ পরবেন এটাই স্বাভাবিক। আমাদের দেশের লেগ স্পিনাররাও অবশ্যই এই হিসাবের বাইরে না। এই বাদ পড়া কিন্তু একটা সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার ‘আউটপুট’। এই প্রক্রিয়াকে সংক্ষেপে বললে একজন খেলোয়ার উঠে আসার পর একটি ‘নুন্যতম মাত্রা’য় সুযোগ পাবেন, পারফর্ম করতে না পারলে দল থেকে বাদ পড়বেন। এই ‘নুন্যতম মাত্রা’র ব্যাপ্তি কেমন হতে পারে সেটার কোন সুনির্দিষ্টতা হয়তো নেই, তবে সেই মাত্রা আর যাই হোক মাত্র ২-৪ ম্যাচ হতে পারেনা। এবার আসি আমাদের রিস্ট স্পিনার/মিস্ট্রি স্পিনাররা সেই ‘নুন্যতম’ মাত্রায় সুযোগ পান বা পেয়েছেন কিনা?

চলুন এর উত্তর খুঁজতে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী রিষ্ট এবং মিস্ট্রি স্পিনারদের নিকট অতীত নিয়ে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করি।

আমিনুল ইসলাম বিপ্লব

১০ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১২ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সুযোগ পাওয়া লেগি তিনি। সাদা চোখে পরিসংখ্যান খুব বেশি আহামরি নয়। কিন্তু যখন জানতে পারবেন বাংলাদেশের হয়ে এখন অব্দি অন্তত বিপ্লব এর সমপরিমান বা তার অধিক বল করে ১২+ উইকেট নেয়া ব্যাক্তিদের মধ্যে বিপ্লব এর স্ট্রাইক রেট ১৫.৬ (প্রত্যেক উইকেট নিতে একজন বোলারের গড়ে কত বল লাগে তাকে বোলারদের স্ট্রাইক্ রেট ধরা হয়) যা কিনা ৫ম সেরা, এমনকি সেটা সাকিবের চেয়েও ভাল (১৭.৮) তখন আপনি একটা বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেন যে নিয়মিত উইকেট এনে দেয়ার কাজটা বিপ্লব ভালই করছেন। অন্তত পরিসংখ্যান সেটাই বলে। যখন জানবেন ওভারপ্রতি তিনি ৭.৫৯ এর বেশি রান দেননি তখন ধরে নিতেই হবে নিয়মিত উইকেট তুলে নেয়া এবং রান নিয়ন্ত্রনে রাখা দুটি কাজই বিপ্লব একসাথে করতে পারছেন।

পরিসংখ্যান বিপ্লবের পক্ষে থাকার পরেও দলে সুযোগ না পাওয়ার কারণ আর যাই হউক , ‘নুন্যতম সুযোগ’ যে তিনি পাচ্ছেন না সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায় ……

 

 

সাম্প্রতিক পাকিস্তান সিরিজেও কমপক্ষে ৫০বল করা বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে বিপ্লবই ২ উইকেট নিয়ে স্ট্রাইক রেট (২৫) বা গড় (৩১) দুদিকেই সেরা ছিলেন। কিন্তু সেই বিপ্লব এবার বিপিএলের ড্রাফটে কোন দলই পাননি। পরবর্তীতে মিনিস্টার ঢাকার আরেক লেগী রিশাদ (যিনি নিজেও ড্রাফটে দল পাননি!) করোনাক্রান্ত হলে বিপ্লবকে দলে ভেড়ানো হয়। ব্যাস, অতটুকুই। পুরো টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচেও তিনি মাঠে নামারই সুযোগ পাননি। অবাক করা বিষয় ঢাকার অধিনায়ক ছিলেন স্বয়ং জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রিয়াদ নিজেই! এই দলে আরো ছিলেন জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম, সাবেক অধিনায়ক ম্যাশ এবং কোচ বাবুল (যিনি বেশ কিছুদিন ধরে জাতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন) । পরিসংখ্যান বিপ্লবের পক্ষে থাকার পরেও দলে সুযোগ না পাওয়ার কারণ আর যাই হউক , ‘নুন্যতম সুযোগ’ যে তিনি পাচ্ছেন না সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায় ।

রিশাদ হোসেন

স্পিনার হান্ট থেকে উঠে আসা লেগী রিশাদ এবারের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট বিসিএলে সাউথ জোনের হয়ে মৌসুমের প্রথম অর্ধেকটা কাটিয়েছিলেন সাইড বেঞ্চে। একাদশে যে ম্যাচে প্রথম সুযোগ পেলেন , প্রথম ইনিংসে প্রতিপক্ষ সেন্ট্রাল জোন ৪৮১ রান করলেও রিশাদ নেন ৫ উইকেট। ‘সেমি ফাইনালে’ পরিনত হওয়া সেই ম্যাচে অন্তত প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে ম্যাচ ড্র করতেই হবে এমন অবস্থায় ব্যাট হাতেও নবম উইকেটে ৫২ রানের জুটিতে রিশাদের অবদান ২১। ফলাফল ১৩ রানের ‘মহামূল্যবান’ লিড এবং দলের ফাইনাল নিশ্চিত। ড্র হওয়া সেই ম্যাচে রিশাদ ২য় ইনিংসেও আরো ২ টি উইকেট নিয়ে ম্যাচে মোট উইকেটের সংখ্যাকে ৭ এ নিয়ে যান । সেমির নায়ক রিশাদ ফাইনালে যখন প্রথম বল করতে এলেন তখন ৪১ তম ওভার ,দলের ৬ ষ্ঠ বোলার! ঐ ইনিংসে ১২৮ ওভারের মধ্যে তিনি মাত্র ১২ ওভার (যা কিনা আবার ৪/৫ স্পেলে বিভক্ত!) বল করার সুযোগ পেয়ে ডবল সেঞ্চুরি করা মিথুনের উইকেটটি নেন। মাত্রই আগের ম্যাচে ৭ উইকেট পাওয়া বোলার পরের ম্যাচে ঠিক কি কারণে ৬ ষ্ঠ বোলার হিসেবে বল করতে এলেন তার ব্যাখা হয়তো টীম ম্যানেজম্যান্টই দিতে পারবেন। বলাবাহুল্য, বোলিংয়ে খুব একটা সুযোগ না পেয়ে ব্যাটিংয়ে ৯ এ নেমে ৯৯ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে বসেন তিনি যেখানে ৬ এর মার ছিল ৪টি! এতকিছু করেও রিশাদ বিপিএলের ড্রাফটে কোন ফ্র্যাঞ্চাইজির নজরে আসতে পারেননি। ছিলেন অবিক্রীত। পরবর্তীতে ঢাকা তাকে দলে নিলেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে আর খেলা হয়নি তার। অবশ্য ফিট থাকলেও খুব একটা কাজ যে হত না, সেটা রিশাদের বদলি বিপ্লবের ভাগ্য দেখেই বোঝা গেছে।

জুবায়ের লিখন

কোহলীর উইকেট নিয়ে চমকে দেয়া হাতুরুসিঙহের এই আবিস্কার বাদ পড়েছিলেন অনুশীলনের প্রতি উদাসীনতার কারনে। সেসব এখন অতীত। লিখন এখন পরিশ্রম করেন। জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররাও প্রায়ই নেটে তাকে ডেকে নিয়ে যান লেগ স্পিন খেলা অনুশীলন করতে। সেই লিখনই এত বছর বিপিএলে ২/১ বার দল হয়তো পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু মাঠেই নামতে পারেননি! এবারই সিলেটের হয়ে তার অভিষেক হয় বিপিএলে। খুলনার বিপক্ষে সেই ম্যাচে ৩ ওভারে ২০ রান দিয়ে কোন উইকেট না পেলেও দলের সেরা বোলার এক প্রকার তিনিই ছিলেন। বাকি বোলারদের সবাই সেই ম্যাচে ১০ এর ওপরে রান বিলিয়েছেন। দুঃখের বিষয় এর পরের ম্যাচে তিনি একাদশ থেকেই বাদ পড়ে যান । একবার ভাবুন তো বোলার হিসেবে আপনার আত্মবিশ্বাস ঠিক কোথায় গিয়ে ঠেকবে যখন দেখবেন ভাল খেলেও বাদ পড়লেন। ৪ ম্যাচ পরে মৌসুমের শেষ ম্যাচে আরেকবার সুযোগ পান বটে, কিন্তু ৩ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে উইকেট শূন্য থেকে যান তিনি। তবে সেদিন দুদল মিলে হাত ঘুরানো ১১ জনের মধ্যে ৭ জনই ৯ এর উপরে রান দিয়েছিলেন ওভারপ্রতি! নিসন্দেহে তিনি খরুচে ছিলেন, কিন্তু টি- টোয়েন্টিতে বোলারদের এমন দিন তো নিয়মিতই আসে। রশিদ খান, সাকিবরাও এমন রান প্রায়ই দেন। তবে কেন ‘লিখনরা যোগ্য নন’-এই অপবাদ কেবল তাদের কপালে জুটে যায় ?

বাংলাদেশের অন্য সব লেগিদের ক্ষেত্রে রান বিলানোর যে যুক্তি প্রায়ই দাঁড়া করানো হয়, আফ্রিদির ক্ষেত্রে সেটা একেবারেই খাটে না….

মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি

২০১৯ মৌসুমে নেটে টম মুডির নজর কেড়ে ১৭ বছর বয়স্ক আফ্রিদির সেই বছরই রংপুর এর হয়ে অভিষেক হয়ে যায় । চারদিকে বেশ হইচই ফেলে বিসিবির এইচপি ক্যাম্পেও ডাক পান। ২০১৯ ঢাকা প্রিমিয়ার লীগ টি-টোয়েন্টির ফাইনালে ৪ ওভারে ১০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়নও করেন। একই মৌসুমে প্রথম শ্রেণী অভিষেক হয়ে যায় তার। ৫ ইনিংসে ৮ উইকেট নেন সেবার। খেলেছিলেন ২০২১ এর ঢাকা প্রিমিয়ার লীগেও। ৩ ম্যাচে ৬ ইকোনমিতে ৪ উইকেট পাওয়া- আর যাই হোক খারাপ যে নন তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। বাংলাদেশের অন্য সব লেগিদের ক্ষেত্রে রান বিলানোর যে যুক্তি প্রায়ই দাঁড়া করানো হয়, আফ্রিদির ক্ষেত্রে সেটা একেবারেই খাটে না। তার টি-টোয়েন্টির ইকোনমি আপনার চোখ কপালে তুলে দেবে, ৫.৫! সেই আফ্রিদি এখন কোথাও নেই। এবারের বিপিএলে কোন দল তাকে কেনা তো দূর, ড্রাফটেই তিনি ছিলেন না! কোথায় তিনি আছেন আশা করি আমরা না জানলেও বিসিবি অন্তত জানেন, নাকি জানেন না?

আলিস আল ইসলাম

২০১৯ বিপিএলের আরেক আবিষ্কার ছিলেন মিস্ট্রি স্পিনার আলিস। অভিষেক বিপিএল ম্যাচেই খেলতে নেমে হ্যাট্ট্রিক করে হুলস্থুল বাঁধিয়ে বসেছিলেন। বেশিদিন সেই হইচই টেকেনি। অবৈধ একশানের দায়ে নিষিদ্ধ হন। পরে অবশ্য সংশোধন করে ফেরত ও আসেন। ২০২১ এর ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে ১০ ম্যাচে উইকেট নেন মাত্র ৪টি,তবে রান দেয়ার ক্ষেত্রে ছিলেন বেশ কিপটে (৬.৫৭)। যথারীতি তারও যায়গা হয়নি বিপিএলের ড্রাফটে। পরের ঢাকা প্রিমিয়ার লীগেই দল পাবেন কিনা সেটা নিয়ে আপনি এখনই পূর্বানুমান করতেই পারেন!

বিপিএলে বিদেশী রিষ্ট স্পিনারদের অতীত

দেশী নির্বাচক, কোচ, বোর্ডের কর্তাব্যাক্তিরা সবসময়ই রশিদ, সাদাব, হাসারাংগাদের তুলনায় বাংলাদেশী রিষ্ট স্পিনারদের সামর্থ্য এবং ধারাবাহিকতার ফারাককেই দলে সুযোগ না পাওয়ার কারণ হিসেবে দাঁড় করিয়ে গেছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হল এই বিদেশী রথী মহারথীরাই যখন বিপিএল খেলতে বাংলাদেশে এসেছেন তখন তারা কেউই দলে তেমন নিয়মিত সুযোগ পাননি। ক্যারিয়ারের শুরুতে রশিদ খান ২০১৬ এবং ২০১৭ পরপর ২ আসরে কুমিল্লার হয়ে সবচেয়ে ইকোনমিকাল বোলার ছিলেন। এরপরও ২৬ ম্যাচের মধ্যে বেঞ্চে কাটিয়েছেন ১১ ম্যাচ! ২০১৭ তে একই দলের হয়ে রশীদ এর আরেক স্বদেশী মুজিব খেলতে পেরেছিলেন মাত্র ১ ম্যাচ। ২০১৯ মৌসুমে সিলেটের হয়ে খেলতে এসে সন্দীপ লামিচানে দলের সবচেয়ে ইকোনমিকাল বোলার হয়েও খেলতে পেরেছিলেন মোটে ৬ ম্যাচ! একই মৌসুমে খুলনার হয়ে খেলতে আসা ইয়াসির শাহ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন ৩ ম্যাচ। বিগব্যাশ, হান্ড্রেড এ নিয়মিত খেলা কায়েস আহমেদ এবার ঢাকার হয়ে একাদশে নিয়মিত জায়গা পাননি। এর মধ্যে ১টি ম্যাচে বল করতে এসে প্রথম ওভারে মুনিম শাহরিয়ার এর ঝড়ের সামনে ১৫ রান হজম করেও তার উইকেটটি ঠিকই আদায় করে নেন। এরপরে ঐ ম্যাচে আর বোলিং করারই সুযোগ না মেলা কায়েস এর জন্য বড্ড অপরিচিত হলেও আমাদের জন্য নয়। হান্ড্রেড এরই আরেক তারকা লিনটট ও মাঠের চেয়ে বরিশালের বেঞ্চেই ছিলেন বেশি।এরা সবাই বাংলাদেশে ঠিকঠাক সুযোগ না পেলেও নিজ দেশ বা অন্য দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে সুযোগ পেয়ে বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। শুধু একবার ভাবুন তো রশিদ, মুজিব, লামিচানেদের জন্ম বাংলাদেশে হলে কী হত ? বিপ্লব, লিখনদের মতই মৌসুমে ২/৪ ম্যাচ খেলিয়ে অচল বলে ঘোষণাই দিয়ে দেয়া হত !

কেন এমন হয়

এদেশে রুট লেভেল থেকে টপ লেভেল পর্যন্ত সবখানে ‘আউট অফ দ্যা বক্স ক্রিকেট’ একেবারেই ‘নট এলাউড’! এখানে আপনি কোন পাওয়ার হিটার ব্যাটার দেখাবে না, ব্যাতিক্রমি একশানের কোন বোলার দেখবেন না, আচমকা গতির ঝড় তোলা কোন পেসারও দেখবেন না। সবাইকে দূর থেকে দেখলে আপনার একই স্টাইলের ব্যাটার বা বোলার মনে হবে। মূলত নিচু-মন্থর উইকেটের লো-স্কোরিং ম্যাচই সব দলকে ‘সেইফ জোনে’ হাঁটতে বাধ্য করে। তাই সবাই রিস্ট স্পিনার এর মত ‘রোমাঞ্চকর বাজি’ খেলার চেয়ে ‘বৈচিত্রহীন কিন্তু নিরাপদ’ ফিঙ্গার স্পিনার বেঁছে নেয়। এজন্যই অ-১৯ দলের আফগানিস্তান সিরিজে ৫০ ওভারে ১৫৫ রান ডিফেন্ড করতে বাংলাদেশ যুব দলের একমাত্র লেগি ইপন এর হাতে বল না উঠলেও পার্ট টাইমার আইচ মোল্লারা বল করে যায়। এভাবেই পরের ম্যাচেই ইপনরা সবার অলক্ষ্যে বাদ পড়ে হারিয়ে যায় অতল গহ্বরে। যেখানে শুধুই অন্ধকার, আলোর অস্তিত্ব পৌঁছুবে না কোনদিনও………..

পরিচিতি
হীরা। চার্টার্ড একাউন্ট্যান্সী নিয়ে পড়াশোনা করে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির একাউন্টসে কর্মরত আছেন৷ ক্রিকেট দেখার পাশাপাশি ক্রিকেট নিয়ে লিখতে প্রচন্ড ভালবাসেন।

 

16.39, 24.02.2022

newsbankbangla.com
নিউজ ব্যাংক বাংলা ডট কম
উপদেষ্টা সম্পাদক : রিয়াজ হায়দার চৌধুরী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *