দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে গোপন সমঝোতার মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে, যা তার রাজনৈতিক দর্শন ও নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক…
নিউজ ব্যাংক বাংলা :
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–র (এনসিপি)’র জামায়াতে ইসলামির সাথে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোট গঠনের পর একে একে পদত্যাগ বা নিষ্ক্রিয়তায় যাচ্ছেন অনেকেই। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও চলছে আলোচনার ঝড়।

যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমের এ নিয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করেও চলছে নানা কথা।
Chowdhury manzur ehsan নামে একজন তাবাসসুমের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন,
‘নুসরাতের ঘোষণায় দৌলতপুরসহ তার রাজনৈতিক এলাকায় এবং এনসিপির ভেতরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ এটিকে নৈতিক অবস্থান বলে মনে করছেন। আবার কেউ এটিকে রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরির কৌশল হিসেবে দেখছেন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দলীয় সব কার্যক্রম থেকে নিজেকে নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করেছেন নুসরাত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান, নির্বাচনকালীন সময়ে এনসিপির সব ধরনের সাংগঠনিক ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এতে তিনি নিজেকে ‘প্রাথমিকভাবে নিষ্ক্রিয়’ বলে উল্লেখ করেন এবং ‘পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন’ বলে জানান।
স্ট্যাটাসে নুসরাত তাবাসসুম অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় জোটে এনসিপির যোগদান এবং আসন সমঝোতার প্রক্রিয়া তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতি এক ধরনের ‘প্রবঞ্চনা’।
তার ভাষ্য, দলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে গোপন সমঝোতার মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে, যা তার রাজনৈতিক দর্শন ও নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যে আদর্শ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কথা বলে এনসিপি গড়ে ওঠে, সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তবে ঘোষণায় তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ বা দল ত্যাগের কথা স্পষ্ট করে উল্লেখ করেননি।
তিনি শুধু নির্বাচনকালীন সময়ে নিজেকে নিষ্ক্রিয় রাখার কথা জানান, অর্থাৎ নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বিবেচনা করে আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরার ইঙ্গিত রাখেন।



