শান্তি ঐক্য সাম্যের ডাক তারেক রহমানের, বললেন ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ 

Must Read

‘প্রিয় বাংলাদেশ’বলে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ এর সিপাহী জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ২০২৪ এর আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে আনেন …

দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে নিজ মাতৃভূমিতে ফেরা তারেক রহমানের এই প্রথম ভাষণের উপর লিখেছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার রিয়াজ হায়দার চৌধুরী

নিউজ ব্যাংক বাংলা : দেশে ফিরেই সব ধর্ম-বর্ণ বয়সের মানুষের জন্য শান্তি নিরাপত্তার তাগিদ দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান। আর এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাদের প্রত্যেককে একযোগ কাজ করতে হবে।

প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে একটি জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরে রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ  ঐতিহাসিক সময়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে (২৫ ডিসেম্বর ২০২৫) সংবর্ধনায় বক্তব্যকালে তারেক রহমান একথা বলেন।

‘প্রিয় বাংলাদেশ’বলে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ এর সিপাহী জনতার বিপ্লব, ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ২০২৪ এর আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে আনেন ।

তারেক রহমান বললেন, দেশে ফিরে হাসপাতালের বেডে শয্যাশায়ী মাকে দেখতে যাওয়ার আগে মূলত আপনাদের প্রতি,দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই মঞ্চে এসেছি।’

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মতো ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বশ্রেণির মানুষ দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছিল। আজ বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ফিরে পেতে চায়, তাদের কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।….

 

আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত  উক্তি ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ এর কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বলতে চাই,  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি বলতে চাই—

আই হ্যাভ আ প্ল্যান (আমার একটি পরিকল্পনা আছে) ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।’

ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। বলেন, ‘আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবেন, আমরা সকলে নবী করিম (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

বক্তব্যকালে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বললেন, দেশে ফিরে হাসপাতালের বেডে শয্যাশায়ী মাকে দেখতে যাওয়ার আগে মূলত আপনাদের প্রতি,দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই মঞ্চে এসেছি।’

মঞ্চে ওঠেই জনতাকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।’…..

রাজধানীর ৩০০ ফিট রোডে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। বিএনপি’র পক্ষ থেকে এই আয়োজনে জাতীয় নেতৃবৃন্দের মঞ্চে উপস্থিতির পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণী পেশা দলের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।এই আয়োজন উপলক্ষে সকাল থেকেই রাজধানী ও আশপাশের জেলা থেকে আসা লক্ষ মানুষ উপস্থিতি হন ৩০০ ফিট এলাকায। সমগ্র এলাকা যেন পরিণত হয় জনসমুদ্রে। স্লোগানে মুখরিত হয় । মঞ্চে ওঠেই জনতাকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।’

 বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ‘বিজি ২০২’ ফ্লাইটটি । তার দেশে ফেরার সময়ে সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

বিমানবন্দর থেকে বের হন তিনি কড়া নিরাপত্তায়। জনসমুদ্র পেরিয়ে ৩০০ ফিট সড়ক সংলগ্ন বিশাল গণঅভ্যর্থনার মঞ্চে উপস্থিত হন তারেক রহমান। বুলেটপ্রুফ বাসে করে সেখানে যাবার পথে দুপাশে দাঁড়ানো লাখ লাখ নেতাকর্মীর নজিরবিহীন ভালোবাসায় সিক্ত হন এই জননেতা।

গণতন্ত্রের জন্য, শান্তির জন্য লক্ষ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত  উক্তি ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ এর কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বলতে চাই,  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি বলতে চাই—আই হ্যাভ আ প্ল্যান (আমার একটি পরিকল্পনা আছে) ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি।’

তারেক রহমান বলেন,  এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে। দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য যদি সেই প্ল্যান, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়- এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন, পুরো বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তি যত মানুষ আছেন প্রত্যেকের সহযোগিতা আমার লাগবে। আপনারা যদি আমাদের পাশে থাকেন, আপনারা যদি আমাদের সহযোগিতা করেন- ইনশাআল্লাহ আমরা ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব।’

এসময় তিনি নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য নেতাকর্মীদের নিয়ে হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া চান।

রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, তবে আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’…….

নজিরবিহীন সমাগমে সংবর্ধনার জবাবে তিনি আরো বলেন, এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। এজন্য দেশের সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ আমরা সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মতো ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বশ্রেণির মানুষ দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছিল। আজ বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ফিরে পেতে চায়, তাদের কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।

তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির দোসররা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যেকোনো উসকানির মুখে আপনাদের ধীর ও শান্ত থাকতে হবে। যেকোনো মূল্যে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে।’

শান্তি সাম্য ঐক্যের ডাক দিলেন তারেক রহমান। ১৭ বছর নির্বাসন শেষে বিপুল গণসংবর্ধনা

মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের কথা উল্লেখ করেন তারেক রহমান। জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সিপাহি-জনতার বিপ্লব হয়েছিল। একইভাবে এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি।’

তিনি বলেন, ‘১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ, কৃষক-শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষ ৫ আগস্ট এই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছে।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ২৪-এর আন্দোলনের এক সাহসী প্রজন্মের সদস্য ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে; তিনি শহীদ হয়েছেন। ওসমান হাদি চেয়েছিলেন, এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। ২৪-এর আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, ওসমান হাদিসহ বিগত স্বৈরাচারের সময় যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, তবে আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’

তিনি বলেন,’আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চায় যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার’ ।

‘বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির দোসররা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা, যারা আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন—এই দায়িত্ব আজ তাদের গ্রহণ করতে হবে….

তিনি বলেন, ‘এই দেশের জনসংখ্যা অর্ধেক নারী, ৪ কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, ৫ কোটির মতো শিশু এবং ৪০ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন। কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই, তবে আমরা এই লক্ষ কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি।’

একটি নিরাপদ বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা জানিয়ে বিএনপি’র এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান  বলেন, ‘আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, তেমনি সমতলের মানুষ আছে। মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন—অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ। যেখানে একজন নারী, একজন পুরুষ বা একজন শিশু—যেই হোক না কেন, নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে আবার ঘরে ফিরে আসতে পারে।’

নেতাকর্মীদের সতর্ক করেন তারেক রহমান । বলেন, ‘বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির দোসররা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা, যারা আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন—এই দায়িত্ব আজ তাদের গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে এই দেশকে আমরা সত্য ভিত্তি, গণতান্ত্রিক ভিত্তি ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর গড়ে তুলতে পারি। যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোনো উসকানির মুখে আমাদের ধীর ও শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।’

তিনি মা খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।তিনি বলেন, ‘সন্তান হিসেবে আমার মন আমার মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু যেই মানুষটি এই দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই মানুষগুলোকে আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না। সেজন্যই আজ হাসপাতালে যাবার আগে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য এখানে দাঁড়িয়েছি।’

সবশেষে তিনি শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক—যেকোনো বয়স, শ্রেণি, পেশা বা ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ থাকে, এই হোক আমাদের চাওয়া।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ থেকে আমাদের নেতাকে স্বাগত জানাচ্ছি। তিনি দূর থেকে প্রায় দেড় যুগ আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র উত্তরণের কঠিন পথগুলো পার করেছি তাঁর নেতৃত্বে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা  শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি। তারেক রহমানের বক্তব্যের ঠিক আগ মুহূর্তেই তাঁকে স্বাগত জানিয়ে নাম ঘোষণা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ।

- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -spot_img
Latest News

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষায় অধ্যাদেশ আসছে

জুলাই ঘোষণাপত্রে আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত হয় ‎নিউজ ব্যাংক বাংলা,  ঢাকা : জুলাই ঘোষণাপত্র ও  বৈষম্যবিরোধী...
- Advertisement -spot_img

More Articles Like This

- Advertisement -spot_img