নিউজ ব্যাংক বাংলা , চট্টগ্রাম :
হাটহাজারী উপজেলার ফটিকায় প্রস্তাবিত ৬০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতালের জন্য ঐতিহাসিক দলিল ও জমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত ২০ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফতেয়াবাদ সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এই ঐতিহাসিক দলিল ও জমি রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এই জমি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাবরে হস্তান্তর করেন। সাব-রেজিস্ট্রার শর্মি পালিত উপস্থিত থেকে নামজারি ও দলিল হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ এপ্রিল স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম প্রস্তাবিত এই প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা ও বিশাল সরকারি খাস জমি থাকায় তিনি এখানে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার পরে আজ ২০ একর জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রকল্পের একটি বড় বাধা দূর হলো। ….
বাকি অংশ দেখুন নিচে সংযুক্ত লেখাটি’র পর….
রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি আমির আবদুল্লাহ নিয়াজী, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি আজমল খান, স্যানিটারি পরিদর্শক হাটহাজারী ওমর ফারুক, উদ্যোক্তা ও সমাজ উন্নয়নকর্মী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, হাটহাজারীর সাংবাদিক জিয়াউল হক চৌধুরী, সাংবাদিক জাসেদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃ স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত জটিলতা এখন সম্পূর্ণ নিরসন হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করে নকশা প্রণয়ন এবং নির্মাণকাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠানো হবে। হাসপাতালটি চালু হলে উত্তর চট্টগ্রামের কয়েক লক্ষ মানুষের চিকিৎসায় আমূল পরিবর্তন আসবে।
হাটহাজারীর সাংবাদিক জিয়াউল হক চৌধুরী বলেন, “এটি আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। এখন আমাদের প্রত্যাশা দ্রুত ‘ডিপিপি’ প্রণয়ন করে এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করা হোক।”
সমাজ উন্নয়নকর্মী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “এই হাসপাতালটি নির্মিত হলে হাটহাজারীসহ উত্তর চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য জেলা রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাবে। এই স্বপ্নযাত্রায় সহযোগিতার জন্য আমরা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীকের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”



