মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের সাথে যেই প্রতিষ্ঠানের জন্মের সম্পর্ক, তার প্রতি সরকার কতটুক মর্যাদাসম্পন্ন আচরণ করেছে? কয়জনের হত্যাকান্ড বিচার করা না করার বিষয়ে মীমাংসা হয়েছে? এসব প্রশ্নে কোনো তথ্য কি জাতির কারো কাছে আছে ? নাকি কেবল বিচার না করার ‘ইনডেমনিটি’ জারি করেই হয়ে গেল মীমাংসা?! সেরকম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরেও হয়েছে। কলমের খোঁচায় ইনডেমনিটি আদেশ যেরকম হয়,ঠিক তেমনি কলমের খোঁচায় কিংবা সংসদে সে আদেশ বাতিলও হতে পারে

২৪ এর ‘ছাত্র আন্দোলনে’র আড়ালে বিশ্ব ইতিহাসের নজিরবিহীন পুলিশ হত্যাকান্ড নিয়ে মানবিকতা, ন্যায্য বিচারের অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নে লিখেছেন সাংবাদিক নেতা, কলামিস্ট, পেশাজীবী ও নাগরিক সংগঠক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী

স্মরণকালের ওই কথিত 'বিপ্লবী' দাবিদারদের বর্বরতাই প্রমাণ করে তারা জঙ্গি ছিলেন। কেউ সরাসরি জঙ্গি, কেউ 'মেধাবী' দাবিদারদের আড়ালে জঙ্গি। আর কেউ জঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত কিংবা তাদের আদর্শিক ভাবধারার শিষ্য বা কেউ না বুঝে আবেগে বা উত্তেজনায় তাদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছেন, প্রকারান্তরে তারাও জঙ্গি সহায়ক। ইতিহাস এদের কাউকেই ক্ষমা করবে না।- বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে পুলিশ হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে তারা নিজেদের জঙ্গি রূপ প্রমাণ করেছেন। কাজেই তাদের এই জঙ্গিরুপ যে বা যারা অস্বীকার করবেন, নিশ্চিত ধরে নিতে হবে তারাও জঙ্গি…….

আগেও লিখেছি বিপ্লব আর মেগা মব এক বিষয় নয়। দুটো নীতিগতভাবে পরস্পর বিরোধী, সতীন।
ঠিক একাত্তরের মতই জাতিকে তাদের রূপ চিনিয়ে দিয়ে গেল এই কথিত বিপ্লবীরা। ৭৫ পরবর্তী সময়ের চেয়েও বেশি মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছেন তারা। ক্ষেত্রবিশেষে কিছু ঘটনা ৭১ এর বর্বরতাকে হার মানিয়েছে।
ঘটনার ভয়াবহতা এত তীব্র এবং ন্যাক্কারজনক যে গণমাধ্যম পরাধীন, জিম্মি চরম ভীতিতে থাকায় এবং মব’র আশঙ্কায় এইসবের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা অনেক সংবাদপত্র এবং টেলিভিশনের পক্ষে সম্ভব হয়নি।
ওরা প্রগতিশীল-প্রতিনিধিত্বকারিদের আঘাত করে, কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে আগুনে পুড়িয় উৎসব করে। নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে ঘর, পথঘাট, বন বাদার থেকে ধরে ধারাবাহিক মব এটাকে চালায়, যা ৭১ এর যুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধদের সাথে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বর্বরতার যেন নতুন ধাপ।

স্মরণকালের ওই কথিত ‘বিপ্লবী’ দাবিদারদের বর্বরতাই প্রমাণ করে তারা জঙ্গি ছিলেন। কেউ সরাসরি জঙ্গি, কেউ ‘মেধাবী’ দাবিদারদের আড়ালে জঙ্গি। আর কেউ জঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত কিংবা তাদের আদর্শিক ভাবধারার শিষ্য বা কেউ না বুঝে আবেগে বা উত্তেজনায় তাদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছেন, প্রকারান্তরে তারাও জঙ্গি সহায়ক। ইতিহাস এদের কাউকেই ক্ষমা করবে না।
বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে পুলিশ হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে তারা নিজেদের জঙ্গি রূপ প্রমাণ করেছেন। কাজেই তাদের এই জঙ্গিরুপ যে বা যারা অস্বীকার করবেন, নিশ্চিত ধরে নিতে হবে তারাও জঙ্গি।
বাকি অংশ দেখুন নিচে সংযুক্তলেখাটি’র পর…
এই জঙ্গিরা তাদের গডফাদারদের ‘ম্যাটিকুলাস প্লান’ অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসনের উপর তথা রাষ্ট্রের একটি নৈমিত্তিক অত্যধিক জনগুরুত্ব সম্পন্ন প্রশাসনিক কাঠামোর উপর প্রথমে আঘাত করে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে কাবু করে দিতে চেয়েছেন। দেশের সাধারণ জনগণের মনোবল ভেঙ্গে দিতে চেয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতার ভীতি তৈরি করতে চেয়েছেন।

গণমাধ্যমকেও ওরা টার্গেট করেন অভিন্ন কারণে। সাংবাদিক হত্যা করেছেন প্রকাশ্যেই। প্রকাশ্যে জোটবদ্ধভাবে ক্ষমতায় থাকা অরাজনৈতিক নেতৃত্বের নীরবতা বা মতান্তরে সহযোগিতার সুযোগে রাজধানীর বুকে দৈনিক প্রথম আলো,ডেইলি স্টারে আগুন দেন এই জঙ্গিরাই। রাষ্ট্রের প্রধানতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সেনাবাহিনীকে নিয়েও ওরা নানা গুজব ছড়িয়ে, হুংকার দিয়ে তৈরি করতে চেয়েছন জনভীতি। যা তারা ২৪ এর ৫ আগস্ট পরবর্তী কথিত নতুন ‘স্বাধীন দেশে’র আঠারো মাসে অব্যাহত রেখেছিলেন।
এমনকি পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করেও পুলিশ সদস্যদের মধ্যকার খুব কৌশলে পূর্ববর্তী ঐক্যের ভিত, স্মৃতিসুধা, প্রত্যয় ও সম্প্রীতি নষ্ট করতে চেয়েছেন। পুলিশের মনোবল ভেঙ্গে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী এই জঙ্গি শক্তি ভুলিয়ে দিতে চেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্মের সাথে জড়িত ৭১ এর আঁতুড় ঘরের মায়ার টান, ঐতিহ্য।
বাকি অংশ দেখুন নিচে সংযুক্ত সামাজিক মাধ্যম থেকে সংগৃহী মন্তব্যটি’র পর…
–

সামাজিক মাধ্যম থেকে সংগৃহীত পুলিশ কর্মকর্তা উৎপল বড়ুয়া দিপু এবং লিয়াকত আলীর মন্তব্য-
অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা, সমরবিদ, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল( অব:) সাখাওয়াত হোসেনের সেই সেভেন পয়েন্ট টু…’র ভাষ্য বিবেচনায় মনে হয়, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ডাকে যুক্ত হওয়া আবেগি ও অধিকার সচেতন সহজ সরল ছাত্র ও জনতা যারা সে সময় হত্যার শিকার হন, তাদেরকেও এই আলোচিত জঙ্গিরাই হত্যা করে।
২৪ পূর্ববর্তী সরকার পরিচালনাকারী দল আওয়ামী লীগে ‘গুপ্ত’ থাকা বর্নচোরারা ৫ আগস্ট পরবর্তী ‘অন্তর্বর্তী সরকারে’র সময়ে তাদের তাণ্ডবে হাঁক ডাক দিয়ে এখন বিএনপির ভেতরে বাইরে সুহৃদ সেজে নতুন করে ‘গুপ্ত’ প্রক্রিয়া চালাবে……..

এই জঙ্গিরা বা তাদের সমর্থকরা কেবল কথিত ছাত্র আন্দোলন বা বিপ্লবে ছাত্র হত্যার অভিযোগ আনেন। আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু আগস্টের পর বাংলাদেশে যে নজিরবিহীন পুলিশ হত্যাকান্ড এবং রাজনৈতিক নিধন হত্যা বিশ্ব ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করে তা নিয়ে তাদের যেন আছে মানসিক স্বস্তি। উল্টো অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সেই কথিত বিপ্লবের অন্যতম প্রধান নায়ক হিসেবে দাবিদার ‘ছাত্র উপদেষ্টা’ নাহিদ ইসলাম এখন এসে পুলিশ হত্যাযজ্ঞ বিষয়ে বলছেন, মীমাংসিত বিষয় যেন আর বিচার করা না হয়।
আচ্ছা, বিশ্ব ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পুলিশ কথিত আন্দোলনের পর খুন হওয়ার বিষয়টি কিভাবে মীমাংসিত হলো? কাদের সাথে আলোচনা বা সমঝোতার ভিত্তিতে মীমাংসা হলো? কাদের সাথে কথা বলে মীমাংসা হলো?

সামাজিক মাধ্যম থেকে সংগৃহীত নারী পুলিশ কর্মকর্তা মর্জিনা মরজুর বক্তব্য
অন্তর্বর্তী সরকার স্বীকৃত জুলাই যোদ্ধাদের প্লট ফ্ল্যাট নগদ অর্থ, চিকিৎসা সহায়তা ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা স্বীকৃতি যেভাবে দেয়া হয়েছে, সেই সরকার কয়জন শহীদ পুলিশ সদস্যের পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন? একমাত্র উপার্জনক্ষম অভিভাবককে হারানো কয়টি পুলিশ পরিবারের পুত্র কন্যা পোষ্যদের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার? মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের সাথে যেই প্রতিষ্ঠানের জন্মের সম্পর্ক, তার প্রতি সরকার কতটুক মর্যাদাসম্পন্ন আচরণ করেছে? কয়জনের হত্যাকান্ড বিচার করা না করার বিষয়ে মীমাংসা হয়েছে? এসব প্রশ্নে কোনো তথ্য কি জাতির কারো কাছে আছে ? নাকি কেবল বিচার না করার ‘ইনডেমনিটি’ জারি করেই হয়ে গেল মীমাংসা?! সেরকম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরেও হয়েছে। কলমের খোঁচায় ইনডেমনিটি আদেশ যেরকম হয়,ঠিক তেমনি কলমের খোঁচায় কিংবা সংসদে সে আদেশ বাতিলও হতে পারে।
২৪ এর ৫ আগস্টে পূর্বাপুর এই আন্দোলন এবং আন্দোলন পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের পূর্বাভোর সময়কালে ঠিক কতজন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখন গভীর অনুসন্ধান চলছে বলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সূত্রে জানতে পেরেছি। অবশ্য ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত আইজিপি বলেছিলেন, প্রায় ৪০০ পুলিশ হত্যার শিকার হন। যদিও তাঁর এই সংখ্যা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। মতান্তরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজারের মতো পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে তথ্য প্রকাশ পায়।

বর্ণচোরা জঙ্গিদের দ্বারা পুলিশ সাংবাদিক ছাত্র-জনতা হত্যাযজ্ঞ সহ দেশজুড়ে সেই তান্ডব একদিন তাদের কথিত ‘বিপ্লব’ বা ‘আন্দোলন’কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমার পূর্ব আশঙ্কা অনুযায়ী ‘মেগা মব’ হিসেবেই চিহ্নিত করবে……
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষের কিংবা সমমনা সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে ঢুকে হত্যা, কার্যালয় ভাঙচুর, আগুন দেওয়া শুধু নয়, এবার তারা সারা দেশের মাজারে আমলা ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ সহ মাজার থেকে লাশ উত্তোলন করে নিকৃষ্ট ও নির্মমভাবে আগুন দেয়। যা মানব ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এসবের পাশাপাশি হত্যা মামলা সহ কয়েক হাজার মামলা দেয়া হয় দেশের নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে। মামলা আতঙ্ক ও প্রাণ রক্ষায় এখনো বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ রাজনৈতিক কর্মী,বুদ্ধিজীবী থেকে তৃণমূলের মানুষ বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে রয়েছেন।
ওই আঠারো মাসে জঙ্গি এবং জঙ্গি শক্তিতে প্রভাবশালীরা পুলিশ প্রশাসনের উপর এমন থাবা বিস্তারের পাশাপাশি পুরো দেশ জুড়েই যেন করাল গ্রাস বসায। মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক সাংবাদিক আইনজীবী সহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিত্বশীলদের আঘাত করে, গ্রেফতার অভিযানের নামে ধারাবাহিক মব এটাক চালায়।
জঙ্গি এবং জঙ্গি মনোভাবাপন্ন এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের কারণেই দেশের আজ এই দুরবস্থা, যা স্বাধীনতা লাভের পর ৫৫ বছরে কখনোই ঘটেনি।
এসব কিছু বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশ যে কথিত ‘বিপ্লবে’র নামে ‘মেধাবী’ নামধারী জঙ্গিদের কবল দ্বারা অন্ধকার যুগের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, এটি অস্বীকার করার উপায় নেই।
এই বর্ণচোরা জঙ্গিদের দ্বারা পুলিশ সাংবাদিক ছাত্র-জনতা হত্যাযজ্ঞ সহ দেশজুড়ে সেই তান্ডব একদিন তাদের কথিত ‘বিপ্লব’ বা ‘আন্দোলন’কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমার পূর্ব আশঙ্কা অনুযায়ী ‘মেগা মব’ হিসেবেই চিহ্নিত করবে।
এতকিছুর পরেও এই নব্য স্বাধীনতা বিরোধী মবকারী বা জঙ্গিদের পক্ষে সামাজিক মাধ্যম সহ বিভিন্ন স্থানে-পর্যায়ে দেশের একটি শ্রেণী মতামত তৈরি বা সমর্থন দিয়ে চলেছেন। সুক্ষভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে…..

নতুন সরকারের নিয়ন্ত্রক দল-বিএনপিকে তাদের চিনেই পথ চলতে হবে। নতুবা ব্যর্থতা অনিবার্য এবং তাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পূর্ণমেয়াদ তারা অতিক্রম করতে পারবেন বলে মনে হয় না….
এতকিছুর পরেও এই নব্য স্বাধীনতা বিরোধী মবকারী বা জঙ্গিদের পক্ষে সামাজিক মাধ্যম সহ বিভিন্ন স্থানে-পর্যায়ে দেশের একটি শ্রেণী মতামত তৈরি বা সমর্থন দিয়ে চলেছেন। সুক্ষভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, এই মবকারীদের সমর্থকরা কোন না কোনভাবে বাংলাদেশ বিরোধী শক্তি বা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়, বা এমন রাজনৈতিক অপশক্তির সাথে সংযুক্ত। বা তাদের পূর্বপুরুষ স্বজনরা কোন না কোন ভাবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী কুখ্যাত রাজাকার আল বদর বাহিনীর সাথে সংযুক্ত ছিলেন,কিংবা তাদের দ্বারা সুবিধাভোগী।
কাজেই বাংলাদেশ বিরোধী এই অপশক্তির যেকোনো তথ্য মতামত বা সমর্থনের ক্ষেত্রে দেশের সচেতন নাগরিকদের ওই কথিত মেধাবী বা মেধাবীদের সমর্থক শ্রেণীটির টিকুজি খুঁজে বের করা প্রয়োজন। কেউ ঢালাওভাবে কোন তথ্যে বা গুজবে সমর্থন জানানো বা তাদের সমর্থক হওয়া মানেই দেশের বিরুদ্ধে যাওয়া।
বাংলাদেশ এখনো পুরোপুরি বর্ণচোরাদের কাছ থেকে মুক্ত হয়নি। ২৪ পূর্ববর্তী সরকার পরিচালনাকারী দল আওয়ামী লীগে ‘গুপ্ত’ থাকা বর্নচোরারা ৫ আগস্ট পরবর্তী ‘অন্তর্বর্তী সরকারে’র সময়ে তাদের তাণ্ডবে হাঁক ডাক দিয়ে এখন বিএনপির ভেতরে বাইরে সুহৃদ সেজে নতুন করে ‘গুপ্ত’ প্রক্রিয়া চালাবে। নতুন সরকারের নিয়ন্ত্রক দল-বিএনপিকে তাদের চিনেই পথ চলতে হবে। নতুবা ব্যর্থতা অনিবার্য এবং তাতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পূর্ণমেয়াদ তারা অতিক্রম করতে পারবেন বলে মনে হয় না।
রিয়াজ হায়দার চৌধুরী : সভাপতি, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন ও সাধারণ সম্পাদক পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ চট্টগ্রাম, সদ্য সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়)





