কেউ এটিকে ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ বলছেন, আর এ জন্য অভিযুক্ত করছেন জামাত-শিবিরকে। আবার কেউ বলছেন, ‘এটি আত্মহত্যা’।…. একজন তরতাজা যুবকের নিথর দেহ ঝুলে আছে ফ্লাইওভারের কিনারে। কিন্তু তারা নিশ্চুপ !”
ছাত্রলীগ অনুসারী বা সমমনা বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, ‘মনে রেখো বাংলাদেশ’….
নিউজ ব্যাংক বাংলা, চট্টগ্রাম :
ফ্লাইওভারে ঝুলন্ত অবস্থায় কার্যক্রম ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত’ ছাত্রলীগের এক নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ । চট্টগ্রাম মহানগরীর সাগরিকা ফ্লাইওভারের ওপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মরদেহটি আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক কাউসার আহমেদের। পুলিশ মরদেহটি মর্গে প্রেরণ করেছে৷ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি৷

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা । তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা ।
কেউ এটিকে ‘রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড’ বলছেন, আর এ জন্য অভিযুক্ত করছেন জামাত-শিবিরকে। জামাত শিবির সম্পৃক্ততার বিষয়টির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাও দিয়েছেন জামাত শিবির সমর্থকরা।
এদিকে এই মৃত্যুর পেছনে গ্রুপিং এর রাজনীতি এবং মাদক সম্পৃক্ততায় কোন ষড়যন্ত্র থাকতে পারে, এমন কথাও আলোচিত হচ্ছে।
রাজনীতি সচেতন নাগরিক ঘোষ অভ্র শক্তিমান লিখেছেন, ‘মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে একজনের তৈরি করা কর্মীকে স্বার্থ হাসিল এবং গ্রুপিং এর উদ্দেশ্যে মাদকের সাথে জড়িয়ে দিয়ে উল্টো সেই একজনের পিছনে লেলিয়ে দেওয়া হয়। আজ সেই কর্মী ঝুলছে। ব্লাডি বাস্টার্ড রাজনীতি।’
হত্যাকারীদের কোন মা’ফ হবে না। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই না। আল্লাহ্ আমাদের বিচার করার সক্ষমতা আর ক্ষমতা না দেওয়া অব্ধি ওরা বেঁচে থাকুক…

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগ- ছাত্রলীগের পক্ষে ব্যাপক সোচ্চার শহীদুল ইসলাম শহীদ লিখেছেন,
“কাওছার( কাউসার) হত্যার প্রতিশো’ধ নেয়াই লাগবে। হত্যাকারীদের কোন মা’ফ হবে না। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই না। আল্লাহ্ আমাদের বিচার করার সক্ষমতা আর ক্ষমতা না দেওয়া অব্ধি ওরা বেঁচে থাকুক। “

আবার কেউ বলছেন, ‘এটি আত্মহত্যা’। আবার কেউ কেউ এটিকে ‘পারিবারিক কারণে ঘটেছে’ বলেও দাবি করছেন।
তবে ফ্লাইওভারে ‘সুই সাইড’ বা ‘আত্মহত্যা’ করা নিয়ে রয়েছে সংশয় অনেকের মধ্যেই। কেউ কেউ লিখছেন, এভাবে ফ্লাইওভারে ঝুলে আত্মহত্যা করে কেমনে ! ফ্লাইওভারের সাধারণত ‘আত্মহত্যা’ হলে হয়তো গাড়ির সামনে পড়ে, না হয় উপর থেকে লাফ দিয়ে তা হয়। মৃত্যুটা যে কোন ভাবেই হোক, তবে সেটা ‘আত্মহত্যা মনে হচ্ছে না’ বলেও কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন।
সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে আরিফ রেজা নামের একজন লিখেছেন , ‘এই ধরনের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত করা উচিত। তার আগ পর্যন্ত কোনো বিরূপ মন্তব্য না করাই ভালো। যা’ই হোক এটা কাম্য নয়।’
‘হত্যাকারী যেই হোক না কেন দ্রুত আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামরা ম্যাধ্যমে মনিটরিং করে হত্যাকারীকে খুঁজে বের করা পুলিশের পক্ষে সম্ভব’ বলে মনে করছেন অনেকেই।
“সকল পাকিবীজ এখন চুপ। তাদের মুখে কী তারা জানে! এখন কারো আসমানও কাঁপেনা ….,

পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকারী সনাক্তকরন বা হত্যার কারণ বের করতে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে ।
ছাত্রনেতার এমন প্রশ্নবোধক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য আজহার মাহমুদ লিখেছেন,
“সকল পাকিবীজ এখন চুপ। তাদের মুখে কী তারা জানে! এখন কারো আসমানও কাঁপেনা, সন্তান জন্ম দিতে ‘সুন্দর বাংলাদেশ’ও আর চায়না। না হামে, না অন্য কোনো ইস্যুতে। মানে- তাদের ‘সুন্দর বাংলাদেশের’ স্বপ্ন হয়তো সত্যি হয়েছে।
সেই বাংলাদেশটা এমন। একজন তরতাজা যুবকের নিথর দেহ ঝুলে আছে ফ্লাইওভারের কিনারে। কিন্তু তারা নিশ্চুপ!”
ছাত্রলীগ অনুসারী বা সমমনা বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, ‘মনে রেখো বাংলাদেশ’।
13/05/2026



