নিউজ ব্যাংক বাংলা, চট্টগ্রাম :
গত ২৫ জানুয়ারি নির্বাচিত হয়েও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বেদখল হয়ে যাওয়া কার্যালয়ে চট্টগ্রামের বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন ‘চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন -সিইউজে’র নেতৃবৃন্দ দায়িত্ব পালনের জন্য এখনো বসতে পারেননি। কার্যত দায়িত্বশীলদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বৈষম্যের শিকার এই সংগঠনটি। তবুও
মহান স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বৈষম্যমুক্তির প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রামের এই প্রাচীন সাংবাদিক সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

বীর বাঙালির গৌরবময় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বীর শহীদদের স্মরণ করে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের ( সিইউজে ) পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে পূষ্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে।
বুধবার ( ২৬ মার্চ ) সকাল সাড়ে ১০টায় সংগঠনের সভাপতি রিয়াজ হায়দা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ’র নেতৃত্বে সিইউজের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পনের পর শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সিইউজের সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রায় ৫৪ বছরেও গণমাধ্যম ও গণমানুষ বৈষম্যমুক্ত হয়নি। স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মানের প্রত্যয় নিয়ে সংঘটিত মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের আকাংখা বাস্তবায়ন এখনও সুদূর পরাহত। মোটাদাগে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লড়াই এখনও চলছে। এ লড়াইয়ে এদেশের মানুষকে জিততেই হবে।
‘গণমাধ্যমে বৈষম্য মুক্তির মধ্য দিয়ে গণমানুষের সার্বিক মুক্তি সম্ভব’ উল্লেখ করে গণতান্ত্রিক উত্তরণে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করার আহবানও জানান সিইউজে সভাপতি।

সিইউজের সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভ বলেন, শতশত বছরের সংগ্রামমুখর এদেশের মুক্তিপাগল মানুষ পরাধীনতার শৃংখল ভেঙে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য লড়াইয়ে অবর্তীন হয়। এ লড়াইয়ের বেদিমূলে ছিল এদেশের মানুষের সর্বাঙ্গীন মুক্তি। আমরা স্বাধীন ভুখন্ড পেয়েছি। কিন্তু এদেশের মানুষের সর্বাঙ্গীন মুক্তি আসেনি। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হলেও সেই সুযোগকে কাজে লাগানোর বিষয়টি অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহসভাপতি স, ম ইব্রাহিম, সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম, যুগ্ন সম্পাদক মো. ওমর ফারুক, অর্থ সম্পাদক মো. সোহেল সরওয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুবল বড়ুয়া, সিইউজের সদস্য সুমন ঘোষ বাবু ও শ্যামল নন্দী।
