
বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বেগম জিয়ার কর্মকাল বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক প্রবাহে ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর জানাজাটাও হয়েছে নজিরবিহীন উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক। বিশ্বে মুসলিম কোন নারীর সর্ববৃহৎ জানাজা ছিল বাংলাদেশের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের জানাজা।জানাজাটি নিয়ে বিশেষভাবে লিখেছেন -সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী
খালেদা জিয়া শুধু সাবেক প্রধানমন্ত্রী বা বিএনপি’র চেয়ারপারসন নন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন, মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি একজন কমান্ডারের স্ত্রী। বন্দী ছিলেন পুরো মুক্তিযুদ্ধকালে। মুক্তিযুদ্ধকালীন ‘জেড ফোর্স’ কমান্ডার (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) মেজর জিয়াউর রহমানের এই স্ত্রী গৃহবধূ থেকে দলের প্রধান এবং মুসলিম বিশ্বে নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৮১থেকে স্বামীর মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে দলের হাল ধরেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের নিবেদিত হয় তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রীর জীবন। কারাভোগ, মামলা, শোকে তাঁর কেটেছে জীবনের শেষ সময়ের প্রায় এক যুগ…..
–

স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রামের জন্য ‘আপোসহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি পান বিএনপির এই চেয়ারপার্সন। ‘গণতন্ত্র ও গণমানুষের’ অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য কখনো ‘গণতন্ত্রের মাতা’ ও কখনো ‘জাতীয় নেত্রী’ হিসেবে দেশবাসীর ভালবাসায় সম্মানিত হন বেগম জিয়া…
নিউজ ব্যাংক বাংলা ঢাকা, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫:

সময়টা খুব অস্থির। স্বাধীন বাংলাদেশের এমন সময় কখনই আসেনি।গণতান্ত্রিক উত্তরণ সময়টা এত বেশি উদ্বেগ, শঙ্কাপূর্ণ এবং উত্তেজনার হবে, তা এদেশের মুক্তিকামী মানুষ হয়তো কখনো ভাবতেই পারেননি ।
পরিস্থিতি এমন যে, মুক্তিযুদ্ধের মহান মিত্র নিকট প্রতিবেশী ভারতের সাথেও দেশের অভ্যন্তর থেকে একশ্রেণীর মানুষের তীব্র প্রতিবাদী মনোভাবের জোড় আওয়াজ উঠেছে। প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে দ্বি-পাক্ষিক পাক্ষিক সম্পর্কও। এমন অবস্থায় পূর্ববর্তী ১৬ বছরের ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। শীর্ষ, জেলা এবং তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী দেশ ছাড়া…..
শিক্ষক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে দলীয় ট্যাগ দিয়ে মামলা হত্যা, সংবাদপত্র অফিস পুড়িয়ে দেওয়াসহ গণমাধ্যমে নজিরবিহীন আঘাত, এমনকি মহলবিশেষের মানচিত্র, পতাকাকেও বদলে দেওয়ার স্পর্ধা দেখে সাধারণ শান্তিকামী মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায়…..

‘২৪ এর পর একদিকে সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক নির্বাচনের স্বপ্ন, অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং অতীত ঐতিহ্য আশ্রয়ী মানুষের সামনে নানা ঘটনা ; মুক্তিযোদ্ধাদের লাঞ্ছনা, ধানমন্ডির ৩২ নম্বর ভাঙচুর, শিক্ষক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে দলীয় ট্যাগ দিয়ে মামলা হত্যা, সংবাদপত্র অফিস পুড়িয়ে দেওয়াসহ গণমাধ্যমে নজিরবিহীন আঘাত, এমনকি মহলবিশেষের মানচিত্র, পতাকাকেও বদলে দেওয়ার স্পর্ধা দেখে সাধারণ শান্তিকামী মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায়। পরিস্থিতি এমন যে, মুক্তিযুদ্ধের মহান মিত্র নিকট প্রতিবেশী ভারতের সাথেও দেশের অভ্যন্তর থেকে একশ্রেণীর মানুষের তীব্র প্রতিবাদী মনোভাবের জোড় আওয়াজ উঠেছে। প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে দ্বি-পাক্ষিক পাক্ষিক সম্পর্কও।

এমন অবস্থায় পূর্ববর্তী ১৬ বছরের ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। শীর্ষ, জেলা এবং তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী দেশ ছাড়া। এরকম পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দেশের বৃহৎ গণতান্ত্রিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’ই ছিলেন সবেধন নীলমণি। তাঁর মৃত্যু সঙ্গত কারণেই দেশের গণতন্ত্র এবং ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করেছে এক শোকস্তব্ধ শূন্যতা।


দীর্ঘ ৪৫ বছরে তাঁর রাজনৈতিক লড়াই ও অবদান ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। তিনি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন।
লেখাটির বাকি অংশ দেখুন নিচে সংযুক্ত অনুপ্রামণ্যের পর…

‘আপোষহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে জনস্বীকৃত এই জাতীয় নেত্রীর মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হযেছে পুরো বাংলাদেশ….

খালেদা জিয়া শুধু সাবেক প্রধানমন্ত্রী বা বিএনপি’র চেয়ারপারসন নন, বাংলাদেশের জন্মলগ্ন মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি একজন কমান্ডারের স্ত্রী। বন্দী ছিলেন পুরো মুক্তিযুদ্ধকালে। মুক্তিযুদ্ধকালীন ‘জেড ফোর্স’ কমান্ডার (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) মেজর জিয়াউর রহমানের এই স্ত্রী গৃহবধূ থেকে দলের প্রধান এবং মুসলিম বিশ্বে নির্বাচিত মহিলা প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৮১থেকে স্বামীর মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে দলের হাল ধরেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের নিবেদিত হয় তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রীর জীবন। কারাভোগ, মামলা, শোকে তাঁর কেটেছে জীবনের শেষ সময়ের প্রায় এক যুগ। অবশেষে আজ পুরো দেশ ও বিশ্ব বাংলাকে গভীর শোকে ভাসিয়ে দিয়ে শেষ বিদায় নিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
‘আপোষহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে জনস্বীকৃত এই জাতীয় নেত্রীর মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হযেছে পুরো বাংলাদেশ।

ধারণা করা হচ্ছে, তাঁর জানাজায় অন্তত ৫০ লাখ মানুষের উপস্থিতি ঘটেছে, যা বিশ্বে শেষ বিদায়ের উপস্থিতির দিক বিবেচনায় মানুষের চতুর্থ বৃহত্তম অংশগ্রহণ পূর্ণ। বিশ্বের মুসলিম নারীদের মধ্যে ‘সর্ববৃহৎ জানাজা’ বলেও বলা হচ্ছে এটিকে ।
তিনি বাংলাদেশের প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত পাঠের মধ্য দিয়ে তাঁর সন্তান ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের বাসভবন থেকে মাকে বিদায় দেন। অতঃপর জানাজা শেষে তাকে তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ছুটে এসে জানালেন গভীর শ্রদ্ধা, শোক সমবেদনা ..
বেগম জিয়ার এই অন্তিম বিদায়ের কালে উপস্থিত হন প্রতিবেশী ভারত সহ বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতিনিধি। শেষ বিদায়ের দিনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ছুটে এসে জানালেন গভীর শ্রদ্ধা,শোক এবং তাঁর ( বেগম জিয়ার) পরিবারের প্রতি সমবেদনা। আন্তর্জাতিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরাও খালেদা জিয়ার বিদায় যাত্রার সংবাদ কভারেজের জন্য অংশ নেন ।


স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রামের জন্য ‘আপোসহীন দেশনেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি পান বিএনপির এই চেয়ারপার্সন। ‘গণতন্ত্র ও গণমানুষের’ অধিকার আদায়ের সংগ্রামের জন্য কখনো ‘গণতন্ত্রের মাতা’ ও কখনো ‘জাতীয় নেত্রী’ হিসেবে দেশবাসীর ভালবাসায় সম্মানিত হন বেগম জিয়া।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা-দাফন উপলক্ষে গতকালই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাতির উদ্দেশ্য প্রদত্ত ভাষনে আজ বুধবার সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।







রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আজ বাদ জোহর বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
তাঁর অন্তিম বিদায়- জানাজায় অংশ নিতে মানিক মিয়া এভিনিউর ছাড়িয়ে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মানুষ অবস্থান নেন। যেন পুরো ঢাকা শহরেই মিশে যায় জানাযা স্থলের সঙ্গে। পুরো এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও তাঁর গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িটি জানাজা উপলক্ষে গুলশান থেকে সংসদ ভবন এলাকা /মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা( বাসস) জানায়, ‘বেলা ১১টার দিকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িবহর তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে বের হয়। পৌনে ১১টার পর গাড়িবহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছায়। গাড়িবহরে লাল-সবুজ রঙের একটি বাসও রয়েছে। তারেক রহমান, তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান ও ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা জানাজাস্থলে উপস্থিত হন। বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বেগম খালেদা জিয়ার স্বজনরাও এই গাড়িবহরে ছিলেন।’

বাসস জানায়, ‘আজ সকাল সোয়া ৯টার পর শেষবারের মতো বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসায় নেওয়া হয়। পরে গাড়িটি তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হলে সেখানে খালেদা জিয়ার স্বজন ও বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা তাঁকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান। বাসস জানায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাটি ধারণা করা হচ্ছে, ইতিহাসে কোনো মুসলিম নারীর সর্ববৃহৎ জানাজা। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের বড় জানাজা। দেশ ও মুসলিম বিশ্বে কোন নারীর বৃহত্তম জনাজা।

গোটা মুসলিম বিশ্বের স্মরণকালের এই বৃহৎ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন লাখ লাখ মানুষ। কোনো মুসলিম নারীর এটিই সর্ববৃহৎ জানাজা। ‘
‘জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে যে সংগ্রাম করেছেন, আর তাঁর শেষ বিদায়ে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিততে ইতিহাসের বৃহত্তম জনসমুদ্র তাকে কৃতজ্ঞ চিত্তে শ্রদ্ধা জানালো।’
“জানাজায় অংশ নেয়া আলমগীর, আদিব ও সুলাইমানসহ আরও অনেকে বলেন, দেশের ইতিহাসে এটিই কোন জানাজায় বৃহত্তম উপস্থিতি। এটি শুধুই জনসমুদ্র নয়, মহা জনসমুদ্র।
লেখাটির বাকি অংশ দেখুন নিচে সংযুক্ত প্রতিবেদন’র পর…
তারা আরও বলেন, একজন রাজনৈতিক নেতা কতটা জনপ্রিয় ও ভালবাসার হলে এরূপ হতে পারে, বেগম খালেদা জিয়া সে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন।
তারা বলেন, দীর্ঘ ৪৫ বছরে তাঁর রাজনৈতিক লড়াই ও অবদান ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। তিনি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলীয় নেতা—কর্মীরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
লেখাটির বাকি অংশ দেখুন নিচে সংযুক্ত প্রতিবেদন’র পর….
জানাজায় অংশ নিতে মঙ্গলবার রাত থেকেই সংসদ ভবন এলাকায় বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। শেষবারের মতো খালেদা জিয়াকে এক নজর দেখার আশায় তারা গণপরিবহন, ট্রেন, লঞ্চ ও ব্যক্তিগত যানবাহনে করে রাজধানীতে আসেন।
জানাজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা ও সেখানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
গতকাল ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।

বাসস জানায়, আজ বিকাল ৩টা ৩ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও লাখ লাখ নেতা-কর্মী জানাজায় অংশ নেন। এ ছাড়া বিদেশি কূটনৈতিকরা এই জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। জানাজায় ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব। জানাজার পর, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নেয়া হয় বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ। লাল সবুজের পতাকায় মোড়ানো লাশ বহনকারী গাড়িটি বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার পর সেখানে প্রবেশ করে।

প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী থাকাকালীন তিনি যে সব বক্তব্য দিয়েছেন, সে সব বক্তব্য জানাজাস্থলে প্রচার করা হয়। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার মরদেহ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল সাড়ে ১১টার পর পরই প্রবেশ করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী গাড়ি। এর আগে এদিন সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে মরদেহবাহী গাড়িটি তারেক রহমানের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিএনপি’র চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কফিনের পাশে বসে কোরআন তিলাওয়াত করেন তাঁর বড় ছেলে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


